মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
কৃষি

অফিস পরিচিতি:প্রায় ৪০১ বর্গ কিমি আয়োতনের নাটোর সদও উপজেলার কৃষি কর্মকান্ড বৈচিত্রে ভরা। একদিকে হালতি বিল অন্যদিকে সমতলভূমি বেষ্টিত লেয়ার আত্রাই বেসিন ও উচ্চ গঙ্গা প্লাবনভূমি বিধৌত এই উপজেলার জলবায়ু মাটি বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, মুগ, ভূট্টা, খেসারী, বাদাম, মিষ্টি আলু ইত্যাদি ফসল উৎপাদনে বিশেষ উপযোগী। হালতিবিল অঞ্চলে বোরো ফসলের উন্নত  হাইব্রিড জাত আবাদ হচ্ছে। বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউট উদ্ভাবিত ব্রি হাইব্রিড ধান-১ এর আবাদ সম্প্রতি শুরু হয়েছে। যার ফলন ও আশা ব্যাঞ্জক। সেচের পানি সুষ্ঠ ব্যহারের উদেশ্যে সম্প্রতি হালতি বিলে ব্যপক হাইব্রিড ভূট্টা আবাদ শুরু হয়েছে যা দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। সদও উপজেলার আরেক মষলা ফসল পিয়াজ বর্তমানে হালতি বিলে আবাদ শুরু হয়েছে। তাছাড়া ঔষধী গাছ চাষের ক্ষেত্রে নাটোর সদও উপজেলা উল্ল্যেখযোগ্য অবদান রাখছে। আরসেনিক আতঙ্ক সেচের পানি ব্যববহার শস্য বহুমুখীকরণ পুষ্টি সচেতনতা এসব চিমত্মা মাথায় রেখে এষানকার কৃষি দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। শীতের শুরুতে মটর সীম সহ অন্যান্য ফসল ফলিয়ে কৃষকরা ব্যপক লাভবান

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

কি সেবা কিভাবে পাবেন

 

কৃষকের  তথ্য চাহিদা নিরুপণ নিশ্চিত করা।

মান সম্মত সম্প্রসারণ কর্মসূচি তৈরী করা।

কৃষক এবং কারিগরী ষ্টাফদের জন্য প্রশিক্ষণ সামগ্রী তৈরী করা।

টিএইসিসি এর মাধ্যমে অন্যান্য সম্প্রসারণ সেবা দানকারীদের সংগে সম্পর্ক ও কাজের সমন্বয় করা।

উপজেলা পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠান ও পরিচালনা করা।

ষ্টাফদের প্রশিক্ষণ চাহিদা নিরুপণ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া।

কৃষি পরামর্শ সেবা সহ সকল সেবা প্রদান করে থাকেন।

সিটিজেন চার্টার:   সকল শ্রেণীর কৃষকদের সম্প্রসারণ সহায়তা প্রদান    কৃষকদের দক্ষ ও সম্প্রসারণ সেবা দেওয়া    কৃষি বিষয়ক কর্মসূচী বিকেন্দ্রীকরন    চাহিদাভিত্তিক কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রম গ্রহণ    সকল শ্রেণীর কৃষকদের সাথে কাজ করা    কৃষি গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদার করন    সম্প্রসারণ কর্মীদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা    উপযুক্ত সম্প্রসারণ পদ্ধতির ব্যবহার    সমন্বিত সম্প্রসারণ সহায়তা প্রদান    সম্মিলিত সম্প্রসারণ কার্যক্রম গ্রহণ    পরিবেশ সংরক্ষণে সমন্বিত সহায়তা প্রদান    কৃষি বাণিজ্যিকী করন    কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ পদ্ধতির ব্যবহার

বন্যায় কৃষক ভাইদের করণীয়


-বন্যা দেখা দেখামাত্র সতর্ককতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কৃষি উপকরণ বিশেষ করে বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতি উঁচু নিরাপদ স্থানে ভালোভাবে রাখতে হবে;
 
-বন্যামুক্ত উঁচু জায়গায় বীজতলা তৈরি করা দরকার। উঁচু জায়গার অভাবে কলাগাছের ভেলা বা চাটাইয়ের উপর কাদামাটির প্রলেপ দিয়ে ভাসমান বীজতলা তৈরি করে দড়ির সাহায্যে খুঁটি বা গাছের সাথে বেঁধে রাখা যায়। দাপগ বীজতলায় উৎপাদিত চারা দু’সপ্তাহের মধ্যে উঠিয়ে জমিতে রোপণ করা যেতে পারে;
 
-নাবি জাতের ধান বিআর-২২/বিআর-২৩/নাইজারশাইল/বিনাশাইল/স্থানীয় আসন ধানের বীজ ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত বীজতলায় বপন করে চারা তৈরি করা যেতে পারে;
 
-বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ চারার পাতায় পলিমাটি লেগে থাকলে পানি ছিটিয়ে তা ধুয়ে দিতে হবে। বন্যার পর বেঁচে যাওয়া চারার দ্রুত বাড়বাড়তির জন্য স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা দরকার;
 
-জমির ভালো জায়গার সুস্থ চারা থেকে কিছু চারা তুলে নিয়ে ফাঁকা জায়গা পূরণ করা। বন্যার পানি সরে যাওয়ার পরপরই চারার পাতা ৮ থেকে ১০ সেন্টিমিটার বা ৩ থেকে ৪ ইঞ্চি পরিমাণ আগা কেটে দেয়া এবং অনুমোদিত মাত্রায় বালাইনাশক স্প্রে করতে হবে;
 
-চারা না পাওয়া গেলে স্থানীয় জাতের আউশধান যেমন হাসিকলমি, সাইটা, গড়িয়া, পরাঙ্গি’র গজানো বীজ আশ্বিনের মাঝামাঝি পর্যন্ত ছিটিয়ে বপন করা যায়;
 
-নাবি রোপণের বেলায় ৫০ থেকে ৬০ দিনের বয়সী চারা প্রতি গুছিতে ৭ থেকে ৮টি করে আশ্বিনের মাঝামাঝি পর্যন্ত ঘন করে রোপণ করতে হবে;
 
-পাট গাছের ডগা কেটে মাটিতে পুঁতে দেয়া। পরে এগুলো থেকে নতুন ডালপালা বের হলে তা থেকে মানসম্মত বীজ উৎপাদন করা যায়;
 
-বন্যার পানি নেমে গেলে বিনা চাষে গিমাকলমি, লালশাক, ডাঁটা, পালং, পুঁই, ধনে, ভুট্টা, সরিষা, মাসকলাই, খেসারি আবাদ করা যায়;
 
-বন্যার সময় শুকনা জায়গার অভাব হলে টব, মাটির চাড়ি, কাঠের বাক্স, কাটা ড্রাম, পুরানো টিন, পলি ব্যাগ ও কলার ভেলায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, বেগুন, লাউ ও মরিচের আগাম চারা উৎপাদন করা যায়। বন্যার পানি সহনশীল লতিরাজ কচুর চাষ করা যায়। আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ শাকসবজি ও অন্যান্য ফসলী জমির রস কমানোর জন্য মাটি আলগা করে শুকনা ছাই মিশিয়ে প্রয়োজনে অল্প মাত্রায় ইউরিয়া ও পটাশ প্রয়োগ করা যেতে পারে;
 
-আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত শাকসবজি ও অন্যান্য ফসলি জমির রস কমানোর জন্য মাটি আলগা করে ছাই মিশিয়ে দেয়া এবং স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী ইউরিয়া ও পটাশ সার প্রয়োগ করা উচিত;
 
-বন্যাকালীন সময়ে সংরক্ষিত বীজ রোদে শুকিয়ে ছায়ায় ঠান্ডা করে পুনরায় সংরক্ষণ করতে হবে;
 
-রোপিত ফলের চারার গোড়ার পানি নিকাশের জন্য নালার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে গোড়ায় মাটি দিয়ে সোজা করে খুঁটির সাথে বেঁধে নেয়া যায়। গোড়ার মাটি শুকালে পরিমাণমতো সার দিতে হবে;
 
-বন্যার পর জমিতে জো আসা মাত্রই চাষ ও মই দিয়ে অথবা বিনা চাষে ডিবলিং পদ্ধতিতে তুলা বীজ বপন করা যায়। প্রয়োজনে পলিব্যাগে বা বীজতলায় তুলা বীজের চারা তৈরি করে নেয়া যায়। জমি থেকে পানি নেমে গেলে ইউরিয়া ও পটাশ সার প্রয়োগ করতে হবে;
 
-আখের জমি বন্যায় প্লাবিত হওয়ার আগে গোড়ায় মাটি দিয়ে ভালভাবে বেঁধে দিতে হবে। পানির স্রোতে আখের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে যথাসময়ে জমির আইলে ধৈঞ্চার বীজ বুনে দেয়া ভাল। পুরাতন পাতা এব প্রতি ঝাড়ে পাঁচ থেকে ছয়টি সুস্থ কুশি রেখে অতিরিক্ত কুশি কেটে দিতে হবে। বন্যার পানি নেমে যাবার পর আখ গাছ ঢলে পড়তে দেখা যায়। ঢলে পড়া থেকে আখ গাছকে রক্ষার জন্য গাছের ঝাড় মুঠি করে বেঁধে দিতে হয়;
 
-বন্যার সময় গরু, ছাগল, ভেড়াকে যথাসম্ভব উঁচু জায়গায় রাখতে হবে। প্রাণি-পাখিকে বন্যার দূষিত পানি কিংবা পচা পানি খাওয়ানো যাবে না। বন্যার পানি নামার পরপর মাঠে গজানো কচি ঘাস কোন অবস্থাতেই গবাদিপ্রাণিকে খাওয়ানো যাবে না;
 

-বন্যার সময় পুকুরের পাড় ডুবে গেলে ছোট ফাঁসযুক্ত জাল দিয়ে বা বাঁশের বেড় দিয়ে মাছ রক্ষা করতে হবে। পানি নেমে গেলে পুকুরের পাড় মেরামত করতে হবে ও জলজ আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। বিঘাপ্রতি ১৫-২০ কেজি চুন প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া মাছের খাবার, সার নিয়মিত ও পরিমিতভাবে প্রয়োগ করতে হবে। জাল দিয়ে মাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে।

বিস্তারিত পরামর্শের জন্য কাছের উপজেলা কৃষি অফিস অথবা উপসহকারি কৃষি অফিসারের সাথে যোগাযোগ করুন।

ছবি নাম মোবাইল
মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন ০১৭৪১-৭৮১৯৪৪
মোঃ আব্দুল বারি ০১৭১৪-৫৪৭৭২৩

ছবি নাম মোবাইল
মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন ০১৭৪১-৭৮১৯৪৪

প্রকল্পের নাম সার সংক্ষেপ১।  চাষী পর্যায়ে উন্নতমানের ধান,গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্প।চাষী পর্যায়ে প্রদর্শনীর মাধ্যমে আধুনিক জাতের ধান,গম ও পাট বীজ উৎপাদন করে  প্রতিবেশী চাষীদের মাঝে বীজ বিনিময় করে ক্ষেত্র বিশেষে বাজার দর অনুযায়ী বীজ বিক্রয়ের মাধ্যমে আধূনিক  বীজের চাহিদা পূরন করা এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।২। চাষী পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল, তেল ও পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্প।চাষী পর্যায়ে প্রদর্শনীর মাধ্যমে আধুনিক জাতের ডাল,তেল ও  পেয়াজ বীজ উৎপাদন করে  প্রতিবেশী চাষীদের মাঝে বীজ বিনিময় করা, ক্ষেত্র বিশেষে বাজার দর অনুযায়ী বীজ বিক্রয়ের মাধ্যমে আধূনিক  বীজের চাহিদা পূরন করা এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।৩। ন্যাশনাল  কৃষি প্রযুক্তি প্রকল্প(এনএটিপি)।গ্রাম পর্যায়ে কৃষক সংগঠন (CIG) গঠন  করে তাদের অংশ গ্রহনের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক ফসল  উৎপাদন সমস্যা নিরুপন করে তার আলোকে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ পরিকল্পনা প্রনয়ন করা অর্থাৎ সার্বিক উৎপাদন বৃদ্ধি করে কৃষকের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন এই প্রকল্পের মুল উদ্দেশ্য৪। খামার যান্ত্রিকীকরণের  মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি।আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ফসল উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে ২৫% ভর্তুকির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।৫। ধান ফসলের ফলন পার্থক্য  কমানো প্রকল্পধান গবেষণা মাঠে ধান ফসলের গড় ফলনের তুলনায় চাষী পর্যায়ে ফলন অনেক কম হয়। এই ফলন পার্থক্য কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই প্রকল্প কাজ করে যাচ্ছে।

মোবাইলঃ০১৭৪১-৭৮১৯৪৪